Tinnitus Relief App – iOS ও Android-এ ফ্রি
কানের ভোঁ ভোঁ বা শোঁ শোঁ শব্দ সত্যি। কাজের সময়, অন্য অ্যাপের নিচে আর সারা রাত একটানা বাজতে থাকা শব্দ আপনার মস্তিষ্ককে ধীরে ধীরে কানের শব্দ থেকে মন সরাতে সাহায্য করে।
৬০ সেকেন্ডে আপনার কানের শব্দের সুর মেলান। শুরু ফ্রিতে।
সাইন-আপ নেই, অ্যাকাউন্ট নেই, ইন্টারনেট ছাড়াও চলে। অ্যাপের স্ক্রিন আপাতত ইংরেজিতে, তবে চালাতে খুব কম পড়তে হয়।


অনেক টিনিটাস অ্যাপ স্ক্রিন লক করলেই বা অন্য অ্যাপ খুললেই থেমে যায়। এই অ্যাপ ঠিক সেই সমস্যার জন্যই বানানো। কাজের সময়, YouTube-এর নিচে আর স্ক্রিন লক থাকলেও শব্দ চলতে থাকে; কল এলে থামে, আর কল শেষে নিজে থেকেই ফিরে আসে। কারণ কানের শব্দ আপনার সময় মেনে থামে না।

পৃথিবীতে প্রতি ৭ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে প্রায় ১ জনের টিনিটাস আছে: ৭৫ কোটির বেশি মানুষ বাইরের কোনো উৎস ছাড়াই কানে ভোঁ ভোঁ, শোঁ শোঁ বা গুনগুন শব্দ শোনেন। অনেকের কাছে সবচেয়ে কঠিন অংশ শব্দটা নিজে নয়, রাত ৩টার নীরবতা।
তথ্যসূত্র: American Tinnitus Association; WHO World Report on Hearing; NIDCD

নতুন করে কানে শব্দ শুরু হলে ভয় লাগে। প্রথম ২৪–৪৮ ঘণ্টায় বেশিরভাগ মানুষ একা বোধ করেন, মনে হয় বড় কোনো সমস্যা হয়েছে। এই দুশ্চিন্তা স্বাভাবিক। নীরবতায় একটা মৃদু শব্দ রাখলে প্রথম রাতগুলো অনেকের কাছে সহজ হয়। শব্দ হঠাৎ শুরু হলে বা শুধু এক কানে হলে দ্রুত ডাক্তার দেখান
নীরবতায় কানের শব্দ বেশি জোরে লাগে। রাতে সব চুপ হয়ে গেলে শব্দটাই সব দখল করে নেয়। ঘুম না হলে দুশ্চিন্তা বাড়ে, আর তাতে শব্দটা উপেক্ষা করা আরও কঠিন হয়।

সারাক্ষণ কানে শব্দ নিয়ে মন দিতে বাড়তি পরিশ্রম লাগে। সহজ কাজও ক্লান্তিকর হয়ে ওঠে, ফোনে কথা বলাও কঠিন লাগে। শব্দটা জোরে হয়নি, মস্তিষ্ক সেটাকে সরিয়ে রাখতে বেশি শক্তি খরচ করছে।
কানের শব্দ আর দুশ্চিন্তা একই মানসিক চাপের পথ ধরে চলে। শব্দটা সামলাতে পারলে অনেক সময় সঙ্গের অস্থিরতাও কমে।

শব্দের সাহায্য, মানিয়ে নেওয়ার কৌশল আর মানসিক চাপ সামলানো অনেক মানুষকে কানের শব্দ নিয়েও ভালো থাকতে সাহায্য করে। সবার জন্য একই সমাধান নেই, কিন্তু কানের শব্দ আপনার জীবন নিয়ন্ত্রণ করবে, এমনও নয়। বেশিরভাগ মানুষ শুরু করেন রোজ নিয়মিত পটভূমির শব্দ দিয়ে।
অ্যাপটি একটা ভাবনা থেকে তৈরি: শব্দ আপনার জীবনের সঙ্গে মানিয়ে চলবে, জীবনে বাধা দেবে না। প্রতিটি ফিচার সেখান থেকেই এসেছে।
YouTube দেখুন, ইমেলের উত্তর দিন, স্ক্রিন লক করুন: শব্দ চলতেই থাকে। ফোন বা ভিডিও কল এলে থেমে যায়, পরে নিজে থেকেই আবার চালু হয়। সবার জন্য ফ্রি।
হোয়াইট নয়েজ, ব্রাউন নয়েজ, বৃষ্টি, সমুদ্র, বন, ক্যাফে আর আরও ৩৮টি। ফ্রিকোয়েন্সি মেলানো টোন আপনার কানের শব্দের সুরকে আওয়াজের সঙ্গে মিশিয়ে দেয়। স্লিপ টাইমার ধীরে ধীরে সব শব্দ কমিয়ে বন্ধ করে। Premium-এ সব ৪৪টি শব্দ, ৩ দিনের ফ্রি ট্রায়ালসহ।

সাইন-আপ নেই, ট্র্যাকিং নেই, তথ্য সংগ্রহ নেই। আপনার শব্দের সেটিং আপনার ফোনেই থাকে; আমরা সেগুলো দেখতে, পেতে বা রাখতে পারি না। পুরোপুরি ইন্টারনেট ছাড়াই চলে।
তিনটি ট্যাপেই প্রথম শব্দ। শেখার কিছু নেই, জটিল মেনু নেই। যে মুহূর্তে দরকার, সেই মুহূর্তেই চালু করার জন্য বানানো, তিন দিন ধরে নির্দেশিকা পড়ার পর নয়।
ধাপ ১
App Store বা Google Play থেকে ফ্রিতে ইনস্টল করুন। সঙ্গে সঙ্গে খুলুন: অ্যাকাউন্ট, ইমেল বা কোনো ব্যক্তিগত তথ্য লাগে না।
Premium ফিচার ৩ দিনের ফ্রি ট্রায়ালে খোলে। অ্যাপ চালু করতে কোনো কার্ড লাগে না।

ধাপ ২
৬০ সেকেন্ডের নির্দেশিত ধাপে আপনার কানের শব্দের সুরের সঙ্গে মেলে এমন টোন খুঁজে নিন, ১০০ Hz থেকে ১৫,০০০ Hz পর্যন্ত।
হোয়াইট নয়েজ ফ্রিতে বাজে। ব্রাউন নয়েজ, বৃষ্টি, সমুদ্র আর আরও ৪১টি শব্দ Premium-এ খোলে।
মেলানো সুরটা শব্দের সঙ্গে একসঙ্গে বাজে, ফলে মস্তিষ্ক কানের শব্দটা যেন ভেতর থেকে নয়, বাইরে থেকে শোনে। অনেকের ক্ষেত্রে এভাবেই মানিয়ে নেওয়া শুরু হয়।

ধাপ ৩
প্লে চাপুন, তারপর যা করার করুন।
কাজ, YouTube, লক স্ক্রিন: শব্দ চলতেই থাকে, আর কলের পর নিজে থেকেই ফিরে আসে।
এই নিয়মিততাই আসল। শব্দ নিয়ে গবেষণা বলছে, রোজ কয়েক ঘণ্টা পটভূমির শব্দ শুনলে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাসে মানিয়ে নেওয়া তৈরি হতে পারে। রাত ৩টা, যখন কানের শব্দ সবচেয়ে জোরে মনে হয়, ঠিক সেই সময়ের জন্যই এটি বানানো।


YouTube দেখার সময়, অন্য অ্যাপ খোলা থাকলে আর স্ক্রিন লক থাকলেও শব্দ বাজতে থাকে

১০০ Hz থেকে ১৫,০০০ Hz পর্যন্ত আপনার কানের শব্দের সুর খুঁজে নিন

হোয়াইট নয়েজ (ফ্রি) · ব্রাউন নয়েজ, বৃষ্টি, সমুদ্র, বন আর আরও ৩৯টি (Premium)

রাতে ব্যবহারের জন্য স্ক্রিনের আলো একদম কম, যাতে ঘুম না ভাঙে

দুই কানে প্রায়ই আলাদা শব্দ হয়: প্রতিটি কানের জন্য আলাদা সুর আর ভলিউম ঠিক করুন (Premium)

শ্রবণশক্তি সুরক্ষিত রাখতে নিরাপদ ভলিউমের পরামর্শ
বেশিরভাগ টিনিটাস অ্যাপ আপনাকে বেছে নিতে বাধ্য করে: হয় শব্দ, নয় স্বাভাবিক জীবন। আমরা তা করি না।
শব্দের সাহায্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়: কানের শব্দের যত্নে এটি একটি সাধারণ অংশ, প্রায়ই কাউন্সেলিংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে। Cochrane-এর একটি পর্যালোচনা (Sereda et al., 2018) বলছে প্রমাণ এখনো সীমিত, তাই একে কানের শব্দ কম বিরক্তিকর করার উপায় হিসেবে দেখাই ভালো, রোগ সারানোর পদ্ধতি হিসেবে নয়।
দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য: মানিয়ে নেওয়া : নিয়মিত পটভূমির শব্দ মস্তিষ্ককে ধীরে ধীরে কানের শব্দকে বিপদ নয় বলে ধরে নিতে সাহায্য করে। এতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস লাগে। একেকজনের ফল একেক রকম।
ঘুম: শোবার সময় একটা মৃদু পটভূমির শব্দ রাতের নীরবতায় কানের শব্দকে কম প্রকট করতে পারে। স্লিপ টাইমার (Premium) ঘুমিয়ে পড়ার পর শব্দ ধীরে ধীরে কমিয়ে বন্ধ করে।

না। এই অ্যাপ টিনিটাস সারায় না, কোনো রোগের চিকিৎসাও করে না। এটি শব্দের কিছু টুল দেয়, যা কারও কারও মতে কানের শব্দকে কম বিরক্তিকর করে।
টিনিটাস প্রায়ই শ্রবণব্যবস্থার পরিবর্তন, জোরালো শব্দের সংস্পর্শ বা অন্য কোনো অবস্থা থেকে আসে, যা বিশেষজ্ঞকে দিয়ে দেখানো দরকার।
কারণ জানতে আর নিজের অবস্থার জন্য পরামর্শ পেতে একজন অডিওলজিস্ট বা ইএনটি বিশেষজ্ঞ দেখান।
হ্যাঁ। এই অ্যাপ বানানোর মূল কারণই এটা।
স্ক্রিন লক থাকলেও আর YouTube, গান, ব্রাউজার বা অন্য যেকোনো অ্যাপ ব্যবহারের সময়ও শব্দ বাজতে থাকে। ফোন বা ভিডিও কল শুরু হলে থেমে যায়, কল শেষ হলে নিজে থেকেই আবার চালু হয়।
ব্যাকগ্রাউন্ড প্লে সব ব্যবহারকারীর জন্য ফ্রি, সাবস্ক্রিপশন লাগে না।
কেউ কেউ প্রথমবার ব্যবহারের কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঢেকে যাওয়ার প্রভাব টের পান: শব্দ বাজলে কানের শব্দ কম জোরে মনে হয়।
দীর্ঘমেয়াদে মানিয়ে নেওয়া, যখন মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে কানের শব্দকে ছেঁকে ফেলে, সাধারণত কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাসের নিয়মিত রোজকার ব্যবহারে তৈরি হয়। একেকজনের ফল একেক রকম।
আরামদায়ক ভলিউমে, নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে শব্দ শোনা বেশিরভাগ মানুষের জন্য সাধারণত নিরাপদ বলে ধরা হয়। অ্যাপের শুরুর ভলিউম মাঝারি, আর অ্যাপে ভলিউম নিয়ে নির্দেশনা দেওয়া আছে।
তবে ব্যবহারের সময় কানে ব্যথা, উপসর্গ বেড়ে যাওয়া, শব্দে অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা বা যেকোনো অস্বস্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে থামুন, আর আবার শুরুর আগে একজন শ্রবণ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
শব্দকে কখনো ডাক্তারের পরামর্শ, রোগনির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করবেন না। আপনি কী কী উপায়ে কানের শব্দ সামলাচ্ছেন, তা সবসময় আপনার ডাক্তারকে জানান।
মূল পার্থক্য ব্যাকগ্রাউন্ড প্লে। অনেক টিনিটাস অ্যাপ স্ক্রিন লক হলে বা অন্য অ্যাপে শব্দ বাজলে থেমে যায়। এটি চলতেই থাকে, শুধু কলের সময় থামে, আর পরে আবার চালু হয়।
আরও পার্থক্য: ১০০ থেকে ১৫,০০০ Hz পর্যন্ত ৬০ সেকেন্ডে ফ্রিকোয়েন্সি মেলানো, ৪৪টি শব্দের লাইব্রেরি, প্রতিটি কানের আলাদা নিয়ন্ত্রণ, সাইন-আপ নেই, বিজ্ঞাপন নেই।
ফ্রি অংশটি স্থায়ী, কোনো ট্রায়াল নয়।
অ্যাকাউন্ট নেই, ইমেল নেই, নাম নেই। আপনার শব্দের সেটিং, ফ্রিকোয়েন্সি আর সেশন আপনার ফোনেই থাকে।
Premium কিনলে পেমেন্ট সামলায় Apple বা Google। আমাদের সাবস্ক্রিপশন প্রোভাইডার শুধু একটি নামহীন আইডি আর আপনার কেনাকাটার স্ট্যাটাস পায়, যাতে আপনার ফোনে Premium খোলে। আপনার নাম বা ইমেল কখনো পায় না।
বিস্তারিত আমাদের প্রাইভেসি পলিসিতে।
প্রতিটি কাজের দিন, প্রতিটি লক স্ক্রিন, প্রতিটি রাত একটানা বাজতে থাকা শব্দ। ফ্রি ডাউনলোড করুন: অ্যাকাউন্ট নেই, কার্ড নেই, কোনো জটিলতা নেই। এখনই কানে শব্দ শুনছেন? ৬০ সেকেন্ডেই প্রথম শব্দ চালু করতে পারেন।
ডাউনলোড ফ্রি। ৬০ সেকেন্ডে শুরু।